ঢাকা ০২:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
‘বিশ্বকাপ কোনো পণ্য নয়, ফুটবল বিক্রির অধিকার ফিফার নেই’: উয়েফা চীনে ভয়াবহ ভূমিধসে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৪১ ভিনিসিয়ুসকে দলে টানতে প্রস্তুত আর্সেনাল, চুক্তি বাড়াতে মরিয়া রিয়াল মাদ্রিদ বিপিএল না হলে বড় ক্ষতির আশঙ্কা তাওহীদ হৃদয়ের সময়মতো সিদ্ধান্ত না নেওয়ায় শিল্পখাতে গ্যাস সংকট: বিটিএমএ সভাপতি, সমাধানের আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর আইএমএফের সবুজসংকেত পেলেই নবম পে স্কেল ঘোষণা সিআইডির নতুন প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নিলেন ব্যারিস্টার মোশাররফ হোছাইন শিক্ষক সংকটে ব্যাহত পাঠদান, বিপাকে বরগুনার দুই সরকারি স্কুলের শিক্ষার্থীরা আকাশ প্রতিরক্ষা জোরদারে চীনের অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র সংগ্রহের উদ্যোগ ইরানের হবিগঞ্জে বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণা এনসিপির, মৌলভীবাজারের পদযাত্রা স্থগিত
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

টক দইয়ে চিনি-লবণ মেশানো কতটা স্বাস্থ্যকর?

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ১২:৪১:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬
  • ৩৩ সময় দেখুন

গরমের দিনে শরীর ঠান্ডা রাখা, হজমশক্তি বাড়ানো এবং অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে টক দই একটি অত্যন্ত উপকারী খাবার। তবে পুষ্টিবিদদের মতে, টক দইয়ের স্বাদ বাড়াতে অতিরিক্ত চিনি বা লবণ মেশানোর অভ্যাস এর প্রাকৃতিক পুষ্টিগুণ কমিয়ে দিতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের ভাষ্য, টক দই একটি প্রোবায়োটিক খাবার। এতে থাকা উপকারী ব্যাকটেরিয়া হজমে সহায়তা করে, অন্ত্রের সুস্থতা বজায় রাখে এবং রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়াতে ভূমিকা রাখে। কিন্তু অতিরিক্ত চিনি যোগ করলে দইয়ের স্বাভাবিক রাসায়নিক ভারসাম্যে পরিবর্তন আসতে পারে, ফলে উপকারী ব্যাকটেরিয়ার কার্যকারিতা কমে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।

এছাড়া চিনি মেশালে দইয়ের ক্যালোরিও বেড়ে যায়, যা ওজন বৃদ্ধি ও স্থূলতার ঝুঁকি বাড়াতে পারে। বিশেষ করে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত চিনি রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বাড়িয়ে দিতে পারে।

অন্যদিকে, অনেকেই চিনির পরিবর্তে লবণ মিশিয়ে টক দই খেয়ে থাকেন। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটিও সবসময় স্বাস্থ্যকর নয়। দইয়ে প্রাকৃতিকভাবেই কিছুটা সোডিয়াম থাকে। এর সঙ্গে অতিরিক্ত লবণ যোগ হলে শরীরে সোডিয়ামের মাত্রা বেড়ে উচ্চ রক্তচাপ ও হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়তে পারে। পাশাপাশি কিছু মানুষের ক্ষেত্রে বদহজম, বুকজ্বালা কিংবা পেট ফাঁপার সমস্যাও দেখা দিতে পারে।

পুষ্টিবিদদের পরামর্শ, টক দই প্রাকৃতিক অবস্থায় খাওয়াই সবচেয়ে উপকারী। তবে স্বাদে বৈচিত্র্য আনতে চাইলে অল্প পরিমাণ খাঁটি মধু অথবা আপেল, কলা, বেদানা কিংবা স্ট্রবেরির মতো প্রাকৃতিক মিষ্টি ফল মিশিয়ে খাওয়া যেতে পারে।

এছাড়া লবণের পরিবর্তে সামান্য ভাজা জিরার গুঁড়ো বা গোলমরিচের গুঁড়ো ব্যবহার করলে স্বাদ বাড়ার পাশাপাশি হজমেও সহায়তা মিলতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, খাবারের স্বাদ বাড়ানোর চেয়ে এর প্রাকৃতিক পুষ্টিগুণ অক্ষুণ্ন রাখা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তাই টক দই খাওয়ার সময় অতিরিক্ত চিনি ও লবণ পরিহার করে স্বাস্থ্যকর বিকল্প বেছে নেওয়াই উত্তম।

T ag

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় পোস্ট

‘বিশ্বকাপ কোনো পণ্য নয়, ফুটবল বিক্রির অধিকার ফিফার নেই’: উয়েফা

টক দইয়ে চিনি-লবণ মেশানো কতটা স্বাস্থ্যকর?

আপডেটের সময়: ১২:৪১:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬

গরমের দিনে শরীর ঠান্ডা রাখা, হজমশক্তি বাড়ানো এবং অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে টক দই একটি অত্যন্ত উপকারী খাবার। তবে পুষ্টিবিদদের মতে, টক দইয়ের স্বাদ বাড়াতে অতিরিক্ত চিনি বা লবণ মেশানোর অভ্যাস এর প্রাকৃতিক পুষ্টিগুণ কমিয়ে দিতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের ভাষ্য, টক দই একটি প্রোবায়োটিক খাবার। এতে থাকা উপকারী ব্যাকটেরিয়া হজমে সহায়তা করে, অন্ত্রের সুস্থতা বজায় রাখে এবং রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়াতে ভূমিকা রাখে। কিন্তু অতিরিক্ত চিনি যোগ করলে দইয়ের স্বাভাবিক রাসায়নিক ভারসাম্যে পরিবর্তন আসতে পারে, ফলে উপকারী ব্যাকটেরিয়ার কার্যকারিতা কমে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।

এছাড়া চিনি মেশালে দইয়ের ক্যালোরিও বেড়ে যায়, যা ওজন বৃদ্ধি ও স্থূলতার ঝুঁকি বাড়াতে পারে। বিশেষ করে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত চিনি রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বাড়িয়ে দিতে পারে।

অন্যদিকে, অনেকেই চিনির পরিবর্তে লবণ মিশিয়ে টক দই খেয়ে থাকেন। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটিও সবসময় স্বাস্থ্যকর নয়। দইয়ে প্রাকৃতিকভাবেই কিছুটা সোডিয়াম থাকে। এর সঙ্গে অতিরিক্ত লবণ যোগ হলে শরীরে সোডিয়ামের মাত্রা বেড়ে উচ্চ রক্তচাপ ও হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়তে পারে। পাশাপাশি কিছু মানুষের ক্ষেত্রে বদহজম, বুকজ্বালা কিংবা পেট ফাঁপার সমস্যাও দেখা দিতে পারে।

পুষ্টিবিদদের পরামর্শ, টক দই প্রাকৃতিক অবস্থায় খাওয়াই সবচেয়ে উপকারী। তবে স্বাদে বৈচিত্র্য আনতে চাইলে অল্প পরিমাণ খাঁটি মধু অথবা আপেল, কলা, বেদানা কিংবা স্ট্রবেরির মতো প্রাকৃতিক মিষ্টি ফল মিশিয়ে খাওয়া যেতে পারে।

এছাড়া লবণের পরিবর্তে সামান্য ভাজা জিরার গুঁড়ো বা গোলমরিচের গুঁড়ো ব্যবহার করলে স্বাদ বাড়ার পাশাপাশি হজমেও সহায়তা মিলতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, খাবারের স্বাদ বাড়ানোর চেয়ে এর প্রাকৃতিক পুষ্টিগুণ অক্ষুণ্ন রাখা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তাই টক দই খাওয়ার সময় অতিরিক্ত চিনি ও লবণ পরিহার করে স্বাস্থ্যকর বিকল্প বেছে নেওয়াই উত্তম।