স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) কর্তৃক নিরীহ বাংলাদেশি নাগরিকদের হত্যা অত্যন্ত দুঃখজনক এবং এটি মানবাধিকারের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
বুধবার (১৭ জুন) জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি বলেন, বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে এ ধরনের ঘটনার বিষয়টি বিজিবি-বিএসএফ মহাপরিচালক পর্যায়ের বৈঠকে নিয়মিতভাবে জোরালোভাবে উত্থাপন করা হয়। একই সঙ্গে সীমান্তে প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহারের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ সরকারের অবস্থান সবসময় কঠোর ছিল বলেও তিনি জানান।
মন্ত্রী আরও বলেন, সীমান্তে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটলে তাৎক্ষণিকভাবে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা নেওয়া হয়। পাশাপাশি নিহতদের পরিবারের ক্ষতিপূরণ ও জবাবদিহির বিষয়টি দ্বিপক্ষীয় আলোচনায় তুলে ধরা হলেও এ বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক চুক্তি হয়নি।
সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে তথ্য দিতে গিয়ে তিনি জানান, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট থেকে এ পর্যন্ত বিএসএফের পুশ ইন করা ২,৩৬৯ জনের মধ্যে বেশিরভাগকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে, কিছু ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং কয়েকজনকে পুশব্যাক করা হয়েছে। সীমান্তে পুশ ইন ও চোরাচালান রোধে বিজিবি একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি আরও বলেন, সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদারে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে “বর্ডার কমিউনিটি ওয়াচ গ্রুপ” গঠন করা হয়েছে এবং স্পর্শকাতর এলাকায় কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের পরিকল্পনাও বিবেচনায় রয়েছে।
এছাড়া মন্ত্রী জানান, মাদক ও চোরাচালান দমনে বিজিবির অভিযান জোরদার করা হয়েছে, বিপুল পরিমাণ মাদক ও অবৈধ পণ্য জব্দ করা হয়েছে এবং হাজারের বেশি আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। রাজধানীতে কিশোর গ্যাং ও অনলাইন অপরাধ দমনে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে বলেও তিনি সংসদে জানান।
প্রতিবেদকের নাম 




















