১৭ বছর পর আবারও একে অপরের দেশে কনস্যুলার সেবা চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভেনেজুয়েলা ও ইসরায়েল। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) দুই দেশের সরকার এ তথ্য জানিয়েছে। খবর রয়টার্সের।
২০০৯ সালে ইসরায়েলের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করার পর দক্ষিণ আমেরিকার দেশটির পররাষ্ট্রনীতিতে এটি একটি বড় পরিবর্তন হিসেবে দেখা হচ্ছে।
গাজায় ইসরায়েলি হামলার প্রতিবাদে ১৭ বছর আগে ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেছিল ভেনেজুয়েলা। তবে চলতি বছরের জানুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করার পর ইসরায়েলের মিত্র যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দেশটির সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ হয়েছে। এর প্রভাবে ইরানের সঙ্গে ভেনেজুয়েলার দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ সম্পর্কেও পরিবর্তন এসেছে।
ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজের নেতৃত্বাধীন সরকার জানিয়েছে, গত জুনে একটি প্রাণঘাতী ভূমিকম্পের পর ইসরায়েলের একটি মানবিক সহায়তা দল ভেনেজুয়েলা সফর করে। ওই সফরে দুই দেশের শীর্ষ কর্মকর্তাদের মধ্যে আলোচনা হয়। এর পরই দুই দেশে আবার কনস্যুলার সেবা চালুর বিষয়ে সমঝোতা হয়।
ভেনেজুয়েলার সরকার এক বিবৃতিতে বলেছে, ইসরায়েল ও ভেনেজুয়েলার ইহুদি সম্প্রদায়ের মধ্যকার সম্পর্কের গুরুত্ব দুই দেশই স্বীকার করে। দেশটিতে বসবাসরত ইহুদি সম্প্রদায় দুই দেশের মধ্যে বন্ধুত্বের একটি গুরুত্বপূর্ণ সেতু হিসেবে কাজ করছে। ইসরায়েলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও একই বিবৃতি প্রকাশ করেছে।
এদিকে, বহু বছর ধরে ভেনেজুয়েলার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রেখেছে ইরান। তেল উৎপাদনকারী এই দুই দেশই দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার মুখে ছিল। সম্প্রতি কারাকাসে যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপেরও নিন্দা জানিয়েছে ইরান।
দুই দেশের মধ্যে কনস্যুলার সেবা পুনরায় চালুর সিদ্ধান্তকে ভেনেজুয়েলা-ইসরায়েল সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে পূর্ণ কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনঃস্থাপনের বিষয়ে এখনো কোনো ঘোষণা আসেনি।
প্রতিবেদকের নাম 




















