
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অর্জন কোনো একক ব্যক্তি বা রাজনৈতিক দলের নয়, এটি দেশের সব গণতন্ত্রকামী মানুষের সম্মিলিত অর্জন। শহীদ ও আহতদের যথাযথ সম্মান, পুনর্বাসন এবং সহায়তা নিশ্চিত করাকে সরকার পবিত্র দায়িত্ব হিসেবে দেখছে।
জুলাই জাতীয় সম্মেলনে তিনি বলেন, অন্যায়ের বিচার অবশ্যই হবে, তবে বিচারের নামে যেন কারও প্রতি অবিচার না হয় সেদিকেও সতর্ক থাকতে হবে। দেশকে এগিয়ে নিতে প্রতিশোধ নয়, বরং জাতীয় ঐক্যই সবচেয়ে জরুরি বলে উল্লেখ করেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী জানান, তাঁর নিজস্ব হিসাব অনুযায়ী জুলাই আন্দোলনে প্রায় দুই হাজার মানুষ শহীদ হয়েছেন এবং প্রায় ৩০ হাজার মানুষ বিভিন্নভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। একই সঙ্গে জাতিসংঘের তথ্যমতে ৬৫ জন শিশুর মৃত্যুর বিষয়টিও স্মরণ করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে শহীদ পরিবারের সদস্য ও আন্দোলনে আহতদের হাতে ‘জুলাই স্মৃতি স্মারক’ তুলে দেওয়া হয়। সরকার জানায়, পর্যায়ক্রমে সব শহীদ পরিবার ও আহত যোদ্ধার কাছেও এই স্মারক পৌঁছে দেওয়া হবে।
সম্মেলনে বিভিন্ন মন্ত্রী, রাজনৈতিক নেতা, কূটনীতিক, সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তাসহ শহীদ পরিবার এবং জুলাই আন্দোলনের আহত যোদ্ধারা উপস্থিত ছিলেন।
প্রতিবেদকের নাম 




















