ঢাকা ০৯:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
প্যাথলজির ফ্রিজে রোগের নমুনার বদলে মিলল মাছ, জরিমানা বিদেশিদের জন্য বদলাচ্ছে ভিসা ব্যবস্থা, অনুমোদন পেল নতুন নীতিমালা বাবার মরদেহ বাড়িতে রেখে পরীক্ষা, ঋতুর জিপিএ-৫; উচ্চশিক্ষা নিয়ে শঙ্কা রংপুরে বেশি আসন পাওয়ায় উন্নয়ন বঞ্চিত করা হচ্ছে: ডা. শফিকুর রহমান বাংলাদেশ চা বোর্ডে নিয়োগ, ১৩ পদে চাকরি পাবেন ৩৬ জন কেন অলি আহমদকে রাষ্ট্রপতি প্রার্থী করল ১১ দলীয় জোট ব্যাংক রেজল্যুশন আইন সংশোধনের খসড়ায় মন্ত্রিসভার চূড়ান্ত অনুমোদন স্থানীয় সরকার নির্বাচন: পোস্টার বন্ধ, বিলবোর্ডে মিলল অনুমতি সৌদির মরুভূমিতে ফিরল হারিয়ে যাওয়া অনাগার, জন্ম নিল শত বছর পর প্রথম শাবক শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে উত্তাল ভারত, ঝাড়খণ্ডে পুলিশের লাঠিচার্জ-জলকামান
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

পায়রা নদীর ভাঙনে বিপর্যস্ত জনপদ, ঝুঁকিতে ফসলি জমি ও শতাধিক বসতঘর

পটুয়াখালীর পায়রা নদীতে তীব্র ভাঙন আবারও আতঙ্ক ছড়িয়েছে নদীপাড়ের বাসিন্দাদের মধ্যে। বর্ষার শুরুতেই নতুন করে ভাঙন শুরু হওয়ায় ফসলি জমি, বসতঘর ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো হুমকির মুখে পড়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাবাসী স্থায়ীভাবে নদীভাঙন রোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

স্থানীয়দের মতে, কয়েক দশক ধরে পায়রা নদীর তীব্র স্রোতে পটুয়াখালীর বিভিন্ন গ্রাম নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে। এবারও বর্ষার শুরুতেই ভাঙনের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ভয়াবহ বন্যা, মৃত বেড়ে ৯৫

মির্জাগঞ্জ উপজেলার পিঁপড়াখালী গ্রামের বাসিন্দা খবির শিকদার জানান, নদীভাঙনে তিনি ইতোমধ্যে পাঁচবার বসতভিটা ও জমি হারিয়েছেন। নতুন করে ভাঙন শুরু হওয়ায় আবারও সবকিছু হারানোর আশঙ্কায় দিন কাটছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, ভাঙনের কারণে অনেকের বসতবাড়ি ও কৃষিজমি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। বিশেষ করে পিঁপড়াখালী, সুন্দরা কালিকাপুর ও কালিকাপুর গ্রামের বহু পরিবার চরম ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।

এক বাসিন্দা জানান, তার বাড়িটি ইতোমধ্যে হেলে পড়েছে এবং যেকোনো সময় নদীতে বিলীন হয়ে যেতে পারে।

আরও পড়ুনঃ  ‘হাসিনা কার্ড খেলবেন আর বাংলাদেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক চাইবেন, দুটো বিপরীত’

এলাকাবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে ভাঙন চললেও স্থায়ী সমাধানে কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। দুমকি উপজেলার বাহেরচর, আঙ্গারিয়া এবং মির্জাগঞ্জের কয়েকটি গ্রাম বছরের পর বছর নদীভাঙনের শিকার হলেও টেকসই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে ওঠেনি।

অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্য মো. শাহজাহান খান বলেন, স্থায়ীভাবে নদীভাঙন রোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হলে স্থানীয় মানুষ দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পাবে।

এদিকে, পটুয়াখালী পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) জানিয়েছে, চলতি বছর নদীভাঙন প্রতিরোধে প্রায় ৭ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ সংস্কার করা হয়েছে। তবে এখনও প্রায় ১০ কিলোমিটার বাঁধ ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  জনগণের দাবি জানাতেই সচিবালয়ের সামনে এসেছি: জামায়াত আমির

পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাকিব বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ বাঁধগুলোর ওপর নিয়মিত নজরদারি রাখা হচ্ছে। কোথাও পরিস্থিতির অবনতি হলে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের প্রত্যাশা, দ্রুত কার্যকর ও স্থায়ী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে তাদের জীবন-জীবিকা এবং বসতভিটা রক্ষা করা হবে।

T ag

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় পোস্ট

প্যাথলজির ফ্রিজে রোগের নমুনার বদলে মিলল মাছ, জরিমানা

পায়রা নদীর ভাঙনে বিপর্যস্ত জনপদ, ঝুঁকিতে ফসলি জমি ও শতাধিক বসতঘর

আপডেটের সময়: ০১:২৯:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬

পটুয়াখালীর পায়রা নদীতে তীব্র ভাঙন আবারও আতঙ্ক ছড়িয়েছে নদীপাড়ের বাসিন্দাদের মধ্যে। বর্ষার শুরুতেই নতুন করে ভাঙন শুরু হওয়ায় ফসলি জমি, বসতঘর ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো হুমকির মুখে পড়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাবাসী স্থায়ীভাবে নদীভাঙন রোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

স্থানীয়দের মতে, কয়েক দশক ধরে পায়রা নদীর তীব্র স্রোতে পটুয়াখালীর বিভিন্ন গ্রাম নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে। এবারও বর্ষার শুরুতেই ভাঙনের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  জুয়া আয়োজনের অভিযোগে দুদকের অনুসন্ধানে সাবেক এমপি শিমুলসহ ২ জন

মির্জাগঞ্জ উপজেলার পিঁপড়াখালী গ্রামের বাসিন্দা খবির শিকদার জানান, নদীভাঙনে তিনি ইতোমধ্যে পাঁচবার বসতভিটা ও জমি হারিয়েছেন। নতুন করে ভাঙন শুরু হওয়ায় আবারও সবকিছু হারানোর আশঙ্কায় দিন কাটছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, ভাঙনের কারণে অনেকের বসতবাড়ি ও কৃষিজমি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। বিশেষ করে পিঁপড়াখালী, সুন্দরা কালিকাপুর ও কালিকাপুর গ্রামের বহু পরিবার চরম ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।

এক বাসিন্দা জানান, তার বাড়িটি ইতোমধ্যে হেলে পড়েছে এবং যেকোনো সময় নদীতে বিলীন হয়ে যেতে পারে।

আরও পড়ুনঃ  ইউএনওদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান: দেশ ও মানুষের কল্যাণে দায়িত্বশীলভাবে কাজ করুন

এলাকাবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে ভাঙন চললেও স্থায়ী সমাধানে কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। দুমকি উপজেলার বাহেরচর, আঙ্গারিয়া এবং মির্জাগঞ্জের কয়েকটি গ্রাম বছরের পর বছর নদীভাঙনের শিকার হলেও টেকসই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে ওঠেনি।

অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্য মো. শাহজাহান খান বলেন, স্থায়ীভাবে নদীভাঙন রোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হলে স্থানীয় মানুষ দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পাবে।

এদিকে, পটুয়াখালী পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) জানিয়েছে, চলতি বছর নদীভাঙন প্রতিরোধে প্রায় ৭ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ সংস্কার করা হয়েছে। তবে এখনও প্রায় ১০ কিলোমিটার বাঁধ ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  বাবাকে শেষ বিদায় জানাতে রোজারিওতে মেসি, ডি পলের গোল উৎসর্গ

পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাকিব বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ বাঁধগুলোর ওপর নিয়মিত নজরদারি রাখা হচ্ছে। কোথাও পরিস্থিতির অবনতি হলে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের প্রত্যাশা, দ্রুত কার্যকর ও স্থায়ী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে তাদের জীবন-জীবিকা এবং বসতভিটা রক্ষা করা হবে।