মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কাতার সরকারের উপহার দেওয়া নতুন বিলাসবহুল বোয়িং উড়োজাহাজে প্রথমবারের মতো ভ্রমণ করেছেন। উড়োজাহাজটিকে ‘এয়ার ফোর্স ওয়ান’ হিসেবে ব্যবহার শুরু করে তিনি বলেন, ‘এমন উড়োজাহাজ যুক্তরাষ্ট্রও তৈরি করতে পারত না।’
বুধবার (১ জুলাই) উত্তর ডাকোটায় ‘আমেরিকা ২৫০’ উদযাপন অনুষ্ঠানে যাওয়ার আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প তার উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, এটি তার প্রথম যাত্রা এবং নতুন বিমানটি নিয়ে তিনি অত্যন্ত আনন্দিত।
প্রায় ৪০ কোটি ডলার মূল্যের এই বোয়িং উড়োজাহাজটি কাতার সরকার কোনো শর্ত ছাড়াই যুক্তরাষ্ট্রকে উপহার দিয়েছে। তবে এটি গ্রহণের পর থেকেই আইনি, নৈতিক ও জাতীয় নিরাপত্তা নিয়ে বিভিন্ন মহলে বিতর্ক শুরু হয়েছে।
ট্রাম্প বলেন, বিমানটিকে একজন প্রেসিডেন্টের উপযোগী করে সাজানো হয়েছে। এর নিরাপত্তা ব্যবস্থা, প্রযুক্তি এবং আধুনিক সুযোগ-সুবিধা অত্যন্ত উন্নত।
জানা গেছে, উড়োজাহাজটির বাহ্যিক রং সাদা, লাল ও গাঢ় নীল। ভেতরে রয়েছে সমতল করে শোয়ার মতো চামড়ার আসন, প্রেসিডেন্টের প্রতীকসংবলিত নিরাপত্তা বেল্ট, আধুনিক অভ্যন্তরীণ নকশা এবং সোনালি আলোকসজ্জা।
ট্রাম্প আরও জানান, বোয়িংয়ের প্রধান নির্বাহী তাকে জানিয়েছিলেন, এটি কাতারের অন্যতম সেরা উড়োজাহাজ। পরে তিনি সাময়িক ব্যবহারের অনুমতি চাইলে কাতারের আমির সেটি সম্পূর্ণ উপহার হিসেবে দিয়ে দেন।
এর আগে গত মাসে জয়েন্ট বেস অ্যান্ড্রুজে উড়োজাহাজটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন ট্রাম্প। সে সময় তিনি এটিকে বিশ্বের সবচেয়ে বিলাসবহুল উড়োজাহাজ বলে মন্তব্য করেন।
প্রসঙ্গত, যুক্তরাষ্ট্রের পুরোনো এয়ার ফোর্স ওয়ান (বোয়িং ৭৪৭-২০০) ১৯৯০ সাল থেকে ব্যবহৃত হচ্ছে। নতুন দুটি ভিসি-২৫বি উড়োজাহাজ প্রস্তুত হতে আরও প্রায় দুই বছর সময় লাগবে। সেই সময় পর্যন্ত কাতারের উপহার দেওয়া এই বোয়িং ৭৪৭-৮০০ উড়োজাহাজটিও প্রেসিডেন্টের সরকারি সফরে ব্যবহার করা হবে।
সূত্র: সিএনএন
প্রতিবেদকের নাম 










