ঢাকা ০৮:০৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
রোহিঙ্গারা দেশে ফিরুক, তা কোনোভাবেই চায় না মিয়ানমার: সামি হামদি ট্রাম্পের হুমকি: লেক অন্টারিওর নাম হতে পারে ‘লেক আমেরিকা’ বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে পাঁচ দিনের কর্মসূচি, ১ সেপ্টেম্বর সমাধিতে শ্রদ্ধা জেদ্দা-চট্টগ্রাম ফ্লাইটে অসুস্থ নারী, মাসকটে জরুরি অবতরণের পর মৃত্যু পুলিশের পাশাপাশি অন্য বাহিনীগুলোকেও জবাবদিহিতার মধ্যে আনা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গাজার ধ্বংসস্তূপে মিলল ২০ ফিলিস্তিনির দেহাবশেষ মৃণাল সেনের চরিত্রে চঞ্চল, দুই বছর পর ওটিটিতে আসছে ‘পদাতিক’ রংপুরে একই পরিবারের ৪ হত্যা: প্রকৃত আসামিদের গ্রেপ্তারে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম নিম্নমানের ১০ পণ্য বাজার থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ বিএসটিআইয়ের সৌদিতে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ৯ বাংলাদেশির মরদেহ দেশে আসছে বৃহস্পতিবার
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

নির্ভরতা নয়, সহযোগিতার ভিত্তিতে সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান ইইউ রাষ্ট্রদূতের

বিশ্বজুড়ে সংঘাত, জলবায়ু পরিবর্তন ও অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার কারণে বর্তমান পরিস্থিতি আগের তুলনায় আরও জটিল হয়ে উঠেছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও পারস্পরিক সংলাপ আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) ঢাকায় সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস) ও ফ্রেডরিখ-এবার্ট-স্টিফটুঙ (এফইএস) বাংলাদেশের যৌথ আয়োজনে ‘মিট দ্য অ্যাম্বাসেডর’ অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এসব কথা বলেন।

গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্ব

বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদ প্রকাশ করে মাইকেল মিলার বলেন, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও শক্তিশালী করা এবং উন্মুক্ত নাগরিক পরিসর নিশ্চিত করার মাধ্যমে দেশের সামনে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ রয়েছে।

তিনি বলেন, একটি দেশের দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতার জন্য আইনের শাসন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে কার্যকর আইনের শাসন আন্তর্জাতিক ব্যবসা ও বিনিয়োগ আকর্ষণের ক্ষেত্রেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখে।

আরও পড়ুনঃ  লংমার্চ নিয়ে আইজিপিকে জানানো হয়েছে, অনুমতি নেওয়া হয়নি: গোলাম পরওয়ার

বাংলাদেশ-ইইউ সম্পর্ক আরও কৌশলগত হচ্ছে

বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের সম্পর্কের বিষয়ে রাষ্ট্রদূত বলেন, দুই পক্ষের অংশীদারিত্ব ধীরে ধীরে আরও কৌশলগত ও রাজনৈতিক সহযোগিতার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।

তার মতে, দীর্ঘস্থায়ী ও কার্যকর সম্পর্ক কোনো এক পক্ষের ওপর নির্ভরতার ভিত্তিতে গড়ে ওঠে না। বরং সহযোগিতা, পারস্পরিক স্বার্থ এবং অংশীদারত্বের ভিত্তিতেই সম্পর্ককে এগিয়ে নেওয়া প্রয়োজন।

বাণিজ্য ও গবেষণায় সহযোগিতা বাড়ানোর আগ্রহ

বাণিজ্য, শিক্ষা, গবেষণা ও উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের আশাবাদ ব্যক্ত করেন ইইউ রাষ্ট্রদূত।

তিনি ন্যায্য ও উন্মুক্ত বাণিজ্য ব্যবস্থার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন। রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত ও প্রতিযোগিতামূলক বাণিজ্য পরিবেশ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতিকে আরও শক্তিশালী করতে পারে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

আরও পড়ুনঃ  আজ পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.), দেশজুড়ে নানা কর্মসূচি

বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও গবেষণা সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সহযোগিতা বাড়ানোর আগ্রহের কথাও জানান মাইকেল মিলার।

রোহিঙ্গা সংকটেও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার আহ্বান

রোহিঙ্গা সংকট প্রসঙ্গে ইইউ রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের মানবিক ভূমিকার প্রশংসা করেন। প্রায় নয় বছর ধরে বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি বলেন, সংকটটির স্থায়ী সমাধানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মনোযোগ অব্যাহত রাখা জরুরি।

কক্সবাজারে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়নের সহায়তার কথাও তুলে ধরেন তিনি।

জ্বালানি নিরাপত্তায় আঞ্চলিক সহযোগিতার গুরুত্ব

জ্বালানি নিরাপত্তা ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় নবায়নযোগ্য জ্বালানির উন্নয়ন এবং আঞ্চলিক সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন রাষ্ট্রদূত।

তিনি বলেন, জ্বালানি নিরাপত্তা ও সবুজ রূপান্তরের লক্ষ্যে বাংলাদেশকে রাজনৈতিক বিবেচনার বাইরে গিয়ে প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সহযোগিতা আরও বাড়াতে হবে।

আরও পড়ুনঃ  সংকটের মধ্যেও জনগণের কাছে জবাবদিহি নিশ্চিত করছে সরকার: রিজভী

বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদ

২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশের পরিবর্তনকালীন সময়ে দায়িত্ব গ্রহণের কথা উল্লেখ করে মাইকেল মিলার বলেন, যেকোনো পরিবর্তন ও পুনর্গঠন প্রক্রিয়ায় সময়, ধৈর্য ও দীর্ঘমেয়াদি প্রতিশ্রুতি প্রয়োজন।

বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে আস্থা প্রকাশ করে তিনি বলেন, দেশের অগ্রযাত্রায় বাংলাদেশ, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক অংশীদারদের মধ্যে ধারাবাহিক সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মুজাফফর আহমেদ চৌধুরী অডিটোরিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এফইএস বাংলাদেশের রেসিডেন্ট রিপ্রেজেন্টেটিভ ড. ফেলিক্স গ্রেদেস, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম, সিজিএসের নির্বাহী পরিচালক পারভেজ করিম আব্বাসী এবং সিজিএসের সভাপতি জিল্লুর রহমান বক্তব্য দেন।

T ag

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় পোস্ট

রোহিঙ্গারা দেশে ফিরুক, তা কোনোভাবেই চায় না মিয়ানমার: সামি হামদি

নির্ভরতা নয়, সহযোগিতার ভিত্তিতে সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান ইইউ রাষ্ট্রদূতের

আপডেটের সময়: ০৫:৪৬:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬

বিশ্বজুড়ে সংঘাত, জলবায়ু পরিবর্তন ও অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার কারণে বর্তমান পরিস্থিতি আগের তুলনায় আরও জটিল হয়ে উঠেছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও পারস্পরিক সংলাপ আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) ঢাকায় সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস) ও ফ্রেডরিখ-এবার্ট-স্টিফটুঙ (এফইএস) বাংলাদেশের যৌথ আয়োজনে ‘মিট দ্য অ্যাম্বাসেডর’ অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এসব কথা বলেন।

গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্ব

বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদ প্রকাশ করে মাইকেল মিলার বলেন, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও শক্তিশালী করা এবং উন্মুক্ত নাগরিক পরিসর নিশ্চিত করার মাধ্যমে দেশের সামনে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ রয়েছে।

তিনি বলেন, একটি দেশের দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতার জন্য আইনের শাসন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে কার্যকর আইনের শাসন আন্তর্জাতিক ব্যবসা ও বিনিয়োগ আকর্ষণের ক্ষেত্রেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখে।

আরও পড়ুনঃ  দরপতনে ক্ষুব্ধ বিনিয়োগকারীরা, ডিএসইর সামনে বিক্ষোভ

বাংলাদেশ-ইইউ সম্পর্ক আরও কৌশলগত হচ্ছে

বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের সম্পর্কের বিষয়ে রাষ্ট্রদূত বলেন, দুই পক্ষের অংশীদারিত্ব ধীরে ধীরে আরও কৌশলগত ও রাজনৈতিক সহযোগিতার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।

তার মতে, দীর্ঘস্থায়ী ও কার্যকর সম্পর্ক কোনো এক পক্ষের ওপর নির্ভরতার ভিত্তিতে গড়ে ওঠে না। বরং সহযোগিতা, পারস্পরিক স্বার্থ এবং অংশীদারত্বের ভিত্তিতেই সম্পর্ককে এগিয়ে নেওয়া প্রয়োজন।

বাণিজ্য ও গবেষণায় সহযোগিতা বাড়ানোর আগ্রহ

বাণিজ্য, শিক্ষা, গবেষণা ও উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের আশাবাদ ব্যক্ত করেন ইইউ রাষ্ট্রদূত।

তিনি ন্যায্য ও উন্মুক্ত বাণিজ্য ব্যবস্থার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন। রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত ও প্রতিযোগিতামূলক বাণিজ্য পরিবেশ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতিকে আরও শক্তিশালী করতে পারে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

আরও পড়ুনঃ  আজ পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.), দেশজুড়ে নানা কর্মসূচি

বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও গবেষণা সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সহযোগিতা বাড়ানোর আগ্রহের কথাও জানান মাইকেল মিলার।

রোহিঙ্গা সংকটেও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার আহ্বান

রোহিঙ্গা সংকট প্রসঙ্গে ইইউ রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের মানবিক ভূমিকার প্রশংসা করেন। প্রায় নয় বছর ধরে বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি বলেন, সংকটটির স্থায়ী সমাধানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মনোযোগ অব্যাহত রাখা জরুরি।

কক্সবাজারে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়নের সহায়তার কথাও তুলে ধরেন তিনি।

জ্বালানি নিরাপত্তায় আঞ্চলিক সহযোগিতার গুরুত্ব

জ্বালানি নিরাপত্তা ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় নবায়নযোগ্য জ্বালানির উন্নয়ন এবং আঞ্চলিক সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন রাষ্ট্রদূত।

তিনি বলেন, জ্বালানি নিরাপত্তা ও সবুজ রূপান্তরের লক্ষ্যে বাংলাদেশকে রাজনৈতিক বিবেচনার বাইরে গিয়ে প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সহযোগিতা আরও বাড়াতে হবে।

আরও পড়ুনঃ  সৌদিতে এক সপ্তাহে গ্রেপ্তার ১৪ হাজারের বেশি, কড়াকড়ি অব্যাহত

বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদ

২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশের পরিবর্তনকালীন সময়ে দায়িত্ব গ্রহণের কথা উল্লেখ করে মাইকেল মিলার বলেন, যেকোনো পরিবর্তন ও পুনর্গঠন প্রক্রিয়ায় সময়, ধৈর্য ও দীর্ঘমেয়াদি প্রতিশ্রুতি প্রয়োজন।

বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে আস্থা প্রকাশ করে তিনি বলেন, দেশের অগ্রযাত্রায় বাংলাদেশ, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক অংশীদারদের মধ্যে ধারাবাহিক সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মুজাফফর আহমেদ চৌধুরী অডিটোরিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এফইএস বাংলাদেশের রেসিডেন্ট রিপ্রেজেন্টেটিভ ড. ফেলিক্স গ্রেদেস, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম, সিজিএসের নির্বাহী পরিচালক পারভেজ করিম আব্বাসী এবং সিজিএসের সভাপতি জিল্লুর রহমান বক্তব্য দেন।