ঢাকা ১২:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
‘পরিবর্তনের পরও চাঁদাবাজের ভয় নিয়ে চলতে হয়, তাহলে সেই পরিবর্তনের অর্থ কী’ সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ভাঙচুর, যা বললেন আসিফ মাহমুদ সরকারের নাম ভাঙিয়ে অপকর্ম করলে ছাড় নয়: মাহদী আমিন এক পাত্রেই ১ হাজার ৮০৭ গ্যালন শিম, রান্না করে বিশ্বরেকর্ড তুরস্কের কুমিল্লায় সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান হোসনে আরা বকুল গ্রেফতার আবারও কমল স্বর্ণের দাম, ২২ ক্যারেটের ভরি ২ লাখ ৩২ হাজার ৯৩০ টাকা জাজিরায় কেক কাটার আয়োজন, পুলিশ আসতেই ফাঁকা ঘটনাস্থল রাজধানীতে ডিএমপির সাঁড়াশি অভিযান, ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫০৬ গুলিস্তানে ড্রেনে লুকিয়েও রক্ষা পেলেন না আ.লীগ নেতা, আটক শতাধিক ফিলিস্তিনের পক্ষে কথা বলতে কখনো ভয় পাইনি: ফ্লোরেন্স পিউ
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

পর্দা টাঙিয়ে রেলের জমিতে ভবন নির্মাণ! ঘটনাস্থলে প্রশাসন, বন্ধের নির্দেশ

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ১০:১৩:০৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৫ সময় দেখুন

চারপাশে বাঁশের খুঁটি, তার ওপর রঙিন পর্দা। বাইরে থেকে দেখলে মনে হবে কোনো অনুষ্ঠানের আয়োজন চলছে। কিন্তু সেই পর্দার আড়ালেই চলছে পাকা ভবন নির্মাণের কাজ। অভিযোগ উঠেছে, জায়গাটি বাংলাদেশ রেলওয়ের সরকারি জমি।

গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার রাতইল ইউনিয়নের ভাদুলিয়া এলাকায় এমনই একটি ঘটনা নিয়ে তৈরি হয়েছে আলোচনা।

সম্প্রতি সরেজমিনে দেখা যায়, রেলওয়ের জমির একটি অংশ বাঁশের খুঁটি ও রঙিন কাপড় দিয়ে ঘিরে রাখা হয়েছে। পর্দার ভেতরে রয়েছে ইট, বালু ও অন্যান্য নির্মাণসামগ্রী। সেখানে শ্রমিকদের ভবন নির্মাণের কাজ করতেও দেখা যায়।

আরও পড়ুনঃ  পার্বত্যাঞ্চলের শিক্ষায় বিশেষ বরাদ্দ, দুর্নীতিতে ‘জিরো টলারেন্স’: দীপেন দেওয়ান

সরকারি জমিতে স্থাপনা নির্মাণের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান সহকারী কমিশনার ভূমি মিজ পাপিয়া সুলতানা লিজা। পরে তিনি ঘিরে রাখা পর্দা অপসারণ এবং নির্মাণকাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, গ্লোরিয়া বিশ্বাস মঞ্জু নামে এক নারী পর্দা দিয়ে জায়গাটি আড়াল করে ভবন নির্মাণের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। এই জমিকে কেন্দ্র করে এর আগে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ ও মারামারির ঘটনাও ঘটেছে বলে জানান তারা। বিষয়টি আদালত পর্যন্তও গড়িয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, রেলওয়ের অনুমোদন, বৈধ লিজের কাগজপত্র কিংবা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়াই সরকারি জমিতে নির্মাণকাজ চলছে। এ ঘটনায় রেলওয়ের মাঠপর্যায়ের নজরদারি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা।

আরও পড়ুনঃ  মাছ ধরেও আয় হচ্ছে না, বিকল্প পেশায় ঝুঁকছেন চরফ্যাশনের জেলেরা

স্থানীয়দের দাবি, কাশিয়ানীর রাতইল ইউনিয়নের চাপ্তা, ঘোনাপাড়া ও ভাদুলিয়া এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে রেলওয়ের জমি দখলের অভিযোগ রয়েছে। কোথাও লিজের অজুহাতে, আবার কোথাও লিজের শর্ত ও মেয়াদ অমান্য করে সরকারি জমি ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে।

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে গ্লোরিয়া বিশ্বাস মঞ্জু বলেন, তিনি রেলের জমিতে নয়, তাঁর নিজের মালিকানাধীন জমিতেই ভবন নির্মাণ করছেন।

অন্যদিকে, সহকারী কমিশনার ভূমি মিজ পাপিয়া সুলতানা লিজা বলেন, রেলের জমিতে স্থাপনা নির্মাণের খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়েছেন। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে কাগজপত্র নিয়ে অফিসে আসতে বলা হয়েছে। জমি পরিমাপও করা হবে।

আরও পড়ুনঃ  নোয়াখালীতে সেতু নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগে উপসহকারী প্রকৌশলী ও কার্যসহকারী বরখাস্ত

বাংলাদেশ রেলওয়ে পশ্চিমাঞ্চলের পাকশী বিভাগীয় ভূ-সম্পত্তি কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম জানান, এ ধরনের কোনো অভিযোগ তাঁর কাছে আসেনি। অভিযোগ পাওয়া গেলে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এখন মূল বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে—জায়গাটি আসলে কার মালিকানাধীন, সেখানে বৈধ লিজ বা অনুমোদন রয়েছে কি না এবং নির্মাণকাজটি নিয়ম মেনে হচ্ছে কি না। জমির রেকর্ড ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাইয়ের পরই বিষয়টি পরিষ্কার হবে।

T ag

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় পোস্ট

‘পরিবর্তনের পরও চাঁদাবাজের ভয় নিয়ে চলতে হয়, তাহলে সেই পরিবর্তনের অর্থ কী’

পর্দা টাঙিয়ে রেলের জমিতে ভবন নির্মাণ! ঘটনাস্থলে প্রশাসন, বন্ধের নির্দেশ

আপডেটের সময়: ১০:১৩:০৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

চারপাশে বাঁশের খুঁটি, তার ওপর রঙিন পর্দা। বাইরে থেকে দেখলে মনে হবে কোনো অনুষ্ঠানের আয়োজন চলছে। কিন্তু সেই পর্দার আড়ালেই চলছে পাকা ভবন নির্মাণের কাজ। অভিযোগ উঠেছে, জায়গাটি বাংলাদেশ রেলওয়ের সরকারি জমি।

গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার রাতইল ইউনিয়নের ভাদুলিয়া এলাকায় এমনই একটি ঘটনা নিয়ে তৈরি হয়েছে আলোচনা।

সম্প্রতি সরেজমিনে দেখা যায়, রেলওয়ের জমির একটি অংশ বাঁশের খুঁটি ও রঙিন কাপড় দিয়ে ঘিরে রাখা হয়েছে। পর্দার ভেতরে রয়েছে ইট, বালু ও অন্যান্য নির্মাণসামগ্রী। সেখানে শ্রমিকদের ভবন নির্মাণের কাজ করতেও দেখা যায়।

আরও পড়ুনঃ  জাজিরায় কেক কাটার আয়োজন, পুলিশ আসতেই ফাঁকা ঘটনাস্থল

সরকারি জমিতে স্থাপনা নির্মাণের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান সহকারী কমিশনার ভূমি মিজ পাপিয়া সুলতানা লিজা। পরে তিনি ঘিরে রাখা পর্দা অপসারণ এবং নির্মাণকাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, গ্লোরিয়া বিশ্বাস মঞ্জু নামে এক নারী পর্দা দিয়ে জায়গাটি আড়াল করে ভবন নির্মাণের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। এই জমিকে কেন্দ্র করে এর আগে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ ও মারামারির ঘটনাও ঘটেছে বলে জানান তারা। বিষয়টি আদালত পর্যন্তও গড়িয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, রেলওয়ের অনুমোদন, বৈধ লিজের কাগজপত্র কিংবা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়াই সরকারি জমিতে নির্মাণকাজ চলছে। এ ঘটনায় রেলওয়ের মাঠপর্যায়ের নজরদারি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা।

আরও পড়ুনঃ  নোয়াখালীতে সেতু নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগে উপসহকারী প্রকৌশলী ও কার্যসহকারী বরখাস্ত

স্থানীয়দের দাবি, কাশিয়ানীর রাতইল ইউনিয়নের চাপ্তা, ঘোনাপাড়া ও ভাদুলিয়া এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে রেলওয়ের জমি দখলের অভিযোগ রয়েছে। কোথাও লিজের অজুহাতে, আবার কোথাও লিজের শর্ত ও মেয়াদ অমান্য করে সরকারি জমি ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে।

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে গ্লোরিয়া বিশ্বাস মঞ্জু বলেন, তিনি রেলের জমিতে নয়, তাঁর নিজের মালিকানাধীন জমিতেই ভবন নির্মাণ করছেন।

অন্যদিকে, সহকারী কমিশনার ভূমি মিজ পাপিয়া সুলতানা লিজা বলেন, রেলের জমিতে স্থাপনা নির্মাণের খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়েছেন। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে কাগজপত্র নিয়ে অফিসে আসতে বলা হয়েছে। জমি পরিমাপও করা হবে।

আরও পড়ুনঃ  মেঘনায় নিহত তিন শিক্ষার্থীর পরিবারের পাশে এমপি মান্নান

বাংলাদেশ রেলওয়ে পশ্চিমাঞ্চলের পাকশী বিভাগীয় ভূ-সম্পত্তি কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম জানান, এ ধরনের কোনো অভিযোগ তাঁর কাছে আসেনি। অভিযোগ পাওয়া গেলে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এখন মূল বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে—জায়গাটি আসলে কার মালিকানাধীন, সেখানে বৈধ লিজ বা অনুমোদন রয়েছে কি না এবং নির্মাণকাজটি নিয়ম মেনে হচ্ছে কি না। জমির রেকর্ড ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাইয়ের পরই বিষয়টি পরিষ্কার হবে।