ঢাকা ০১:০৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
ইরান যুদ্ধের প্রভাবে চরম মানসিক চাপে মার্কিন নৌসেনারা ফ্যামিলি কার্ডের নিয়োগ নিয়ে ছাত্রদলের বিক্ষোভ, ইউএনওকে লাঞ্ছিতের অভিযোগ সঞ্চয়পত্রের উৎসে কর পুনর্বহালসহ ৪ দাবি ঢাকা ট্যাক্সেস বারের রিমান্ড শেষে কারাগারে সাবেক যুগ্ম সচিব জগলুল পাশা রাজধানীতে নির্মাণাধীন ভবনের দেয়াল ধসে শিশুর মৃত্যু, আহত ২ গ্যাস সংকটে জামালপুর-টাঙ্গাইল-ঢাকা মহাসড়কে চালকদের অবরোধ বগুড়ায় নিষিদ্ধ রাসায়নিক দিয়ে তৈরি ৩০ কেজি জিলাপি ধ্বংস নিজেদের স্বার্থেই শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দিয়েছে ভারত: রিজভী গ্যাস সংকটে চট্টগ্রামে কারখানায় বন্ধ হয়ে যাচ্ছে উৎপাদন দিল্লির আমন্ত্রণে তারেক রহমান কি ভারত সফরে যাবেন?
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশন গঠনে সাংবাদিক, নাগরিক ও অংশীজনদের মতামত গ্রহণ জরুরি

দেশে স্বাধীন, জবাবদিহিমূলক ও দায়িত্বশীল গণমাধ্যম ব্যবস্থা গড়ে তুলতে স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশন গঠনের সরকারি উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন গণমাধ্যম সংশ্লিষ্ট অংশীজনরা। তবে কমিশন গঠনের প্রক্রিয়ায় সাংবাদিক, সম্পাদক, গণমাধ্যম মালিক, আইন বিশেষজ্ঞ, শিক্ষক, নাগরিক সমাজ এবং গণমাধ্যম উন্নয়ন সংগঠনগুলোর মতামত ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত না হলে এটি কার্যকর ভূমিকা রাখতে ব্যর্থ হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তারা।

‘গণমাধ্যম কমিশন: সরকারের কাছে প্রত্যাশা’ শীর্ষক এক মতবিনিময় সভায় বক্তারা বলেন, একটি স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশন সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা ও জবাবদিহিতার মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা, সাংবাদিকতার নৈতিক মান বজায় রাখা এবং গণমাধ্যমের প্রতি জনআস্থা পুনর্গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। একই সঙ্গে প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিকদের কর্মপরিবেশ, পেশাগত মানোন্নয়ন এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেও কমিশনকে সক্রিয় হতে হবে।

এমআরডিআই-এর নির্বাহী পরিচালক হাসিবুর রহমান বলেন, শক্তিশালী গণমাধ্যম কমিশন গঠনই গণমাধ্যম সংস্কারের প্রথম ধাপ। বর্তমান সরকার স্বাধীন ও জবাবদিহিমূলক মিডিয়া রেগুলেটরি কাঠামো গঠনের অঙ্গীকার করেছে। সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে প্রস্তাবিত গণমাধ্যম কমিশনের খসড়া নিয়ে বিস্তৃত আলোচনা প্রয়োজন।

আরও পড়ুনঃ  রাষ্ট্রপতি পদে মির্জা ফখরুল

খসড়া আইনের আইনি বিশ্লেষণ উপস্থাপন করে ব্লাস্টের অবৈতনিক নির্বাহী পরিচালক সারা হোসেন বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশের গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা খণ্ডিত এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বিভক্ত। পাশাপাশি সাংবাদিক সুরক্ষা, কর্মপরিবেশ, ভুয়া ও বিভ্রান্তিকর তথ্যের বিস্তার এবং গণমাধ্যমের প্রতি জনআস্থার সংকটের মতো চ্যালেঞ্জ বিদ্যমান। এসব সমস্যা মোকাবিলায় একটি স্বাধীন কমিশন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

তিনি আরও বলেন, কমিশনের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত স্ব-নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করা, যাতে সাংবাদিকতা পেশা নিজস্ব নৈতিক ও পেশাগত মানদণ্ড নির্ধারণ ও অনুসরণ করতে পারে। একই সঙ্গে কমিশনকে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের ওপর নির্ভরশীল না হয়ে স্বাধীনভাবে কাজ করার সক্ষমতা থাকতে হবে। সদস্য নিয়োগ প্রক্রিয়াও হতে হবে স্বচ্ছ, উন্মুক্ত ও অংশগ্রহণমূলক।

আরও পড়ুনঃ  চার সংকটে বিদ্যুৎ খাত, রেকর্ড লোডশেডিংয়ে ভোগান্তি

গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের সাবেক প্রধান ও দ্য ডেইলি স্টারের কনসাল্টিং এডিটর কামাল আহমেদ বলেন, অংশীজনদের সক্রিয় অংশগ্রহণ ছাড়া এই ধরনের কমিশন তার উদ্দেশ্য পূরণ করতে পারবে না। শুধু কমিশন গঠন নয়, গণমাধ্যম সংস্কারের সুপারিশসমূহ দ্রুত বাস্তবায়ন করাও জরুরি।

সম্পাদকীয় স্বাধীনতার গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, সম্পাদকীয় সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণভাবে সম্পাদকের হাতে থাকতে হবে এবং মালিকপক্ষের ভূমিকা সীমাবদ্ধ থাকা উচিত আর্থিক ব্যবস্থাপনায়। আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী স্বচ্ছতা, নৈতিকতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করাই হওয়া উচিত গণমাধ্যম খাতের ভিত্তি।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক গীতি আরা নাসরিন বলেন, বর্তমানে সংবাদমাধ্যম ও জনগণের মধ্যে আস্থার সংকট তৈরি হয়েছে। কমিশন কতটা রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক প্রভাবমুক্ত থাকবে, তা নিয়ে প্রশ্ন থাকলেও পরিবর্তনের জন্য একটি কার্যকর ও স্বাধীন কাঠামো প্রয়োজন। তিনি অংশীজনদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ ও মনিটরিং ব্যবস্থার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

আরও পড়ুনঃ  এআইয়ের যুগে তরুণেরাই নতুন সভ্যতার মূল শক্তি: তথ্যমন্ত্রী

অ্যাটকোর মহাসচিব ও একুশে টেলিভিশনের সিইও আব্দুস সালাম কমিশনের ব্যয় নির্বাহে গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানের বার্ষিক আয়ের এক শতাংশ প্রদানের প্রস্তাব পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানান। তিনি এ হার কমানোর সুপারিশ করেন।

দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের নির্বাহী সম্পাদক শাখাওয়াত লিটন বলেন, বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের সীমাবদ্ধতা থেকে শিক্ষা নিয়ে নতুন কমিশনের কাঠামো তৈরি করা প্রয়োজন। তিনি কমিশনের অধীনে সাংবাদিকদের আইনি সহায়তা প্রদানের জন্য একটি বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠনের প্রস্তাব দেন।

দ্য ডেইলি ওয়াদারের প্রধান সম্পাদক শফিকুল আলম বলেন, সাংবাদিকদের অধিকার ও স্বার্থ সুরক্ষার পাশাপাশি ভুল বা দায়িত্বজ্ঞানহীন সাংবাদিকতায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সুরক্ষাও নিশ্চিত করতে হবে। স্বাধীনতা ও জবাবদিহির মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখাই একটি কার্যকর গণমাধ্যম ব্যবস্থার মূল শর্ত।

সভায় বিভিন্ন গণমাধ্যম ও গণমাধ্যম উন্নয়ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। তারা সবাই একটি স্বাধীন, অংশগ্রহণমূলক ও কার্যকর গণমাধ্যম কমিশন গঠনের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

T ag

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় পোস্ট

ইরান যুদ্ধের প্রভাবে চরম মানসিক চাপে মার্কিন নৌসেনারা

স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশন গঠনে সাংবাদিক, নাগরিক ও অংশীজনদের মতামত গ্রহণ জরুরি

আপডেটের সময়: ০৬:৪৫:২১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬

দেশে স্বাধীন, জবাবদিহিমূলক ও দায়িত্বশীল গণমাধ্যম ব্যবস্থা গড়ে তুলতে স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশন গঠনের সরকারি উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন গণমাধ্যম সংশ্লিষ্ট অংশীজনরা। তবে কমিশন গঠনের প্রক্রিয়ায় সাংবাদিক, সম্পাদক, গণমাধ্যম মালিক, আইন বিশেষজ্ঞ, শিক্ষক, নাগরিক সমাজ এবং গণমাধ্যম উন্নয়ন সংগঠনগুলোর মতামত ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত না হলে এটি কার্যকর ভূমিকা রাখতে ব্যর্থ হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তারা।

‘গণমাধ্যম কমিশন: সরকারের কাছে প্রত্যাশা’ শীর্ষক এক মতবিনিময় সভায় বক্তারা বলেন, একটি স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশন সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা ও জবাবদিহিতার মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা, সাংবাদিকতার নৈতিক মান বজায় রাখা এবং গণমাধ্যমের প্রতি জনআস্থা পুনর্গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। একই সঙ্গে প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিকদের কর্মপরিবেশ, পেশাগত মানোন্নয়ন এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেও কমিশনকে সক্রিয় হতে হবে।

এমআরডিআই-এর নির্বাহী পরিচালক হাসিবুর রহমান বলেন, শক্তিশালী গণমাধ্যম কমিশন গঠনই গণমাধ্যম সংস্কারের প্রথম ধাপ। বর্তমান সরকার স্বাধীন ও জবাবদিহিমূলক মিডিয়া রেগুলেটরি কাঠামো গঠনের অঙ্গীকার করেছে। সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে প্রস্তাবিত গণমাধ্যম কমিশনের খসড়া নিয়ে বিস্তৃত আলোচনা প্রয়োজন।

আরও পড়ুনঃ  বিদ্যুৎ-জ্বালানি সংকটে ব্যবসায়ীরা খেলাপি হলে ব্যবস্থা নেবে সরকার: মন্ত্রী

খসড়া আইনের আইনি বিশ্লেষণ উপস্থাপন করে ব্লাস্টের অবৈতনিক নির্বাহী পরিচালক সারা হোসেন বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশের গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা খণ্ডিত এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বিভক্ত। পাশাপাশি সাংবাদিক সুরক্ষা, কর্মপরিবেশ, ভুয়া ও বিভ্রান্তিকর তথ্যের বিস্তার এবং গণমাধ্যমের প্রতি জনআস্থার সংকটের মতো চ্যালেঞ্জ বিদ্যমান। এসব সমস্যা মোকাবিলায় একটি স্বাধীন কমিশন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

তিনি আরও বলেন, কমিশনের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত স্ব-নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করা, যাতে সাংবাদিকতা পেশা নিজস্ব নৈতিক ও পেশাগত মানদণ্ড নির্ধারণ ও অনুসরণ করতে পারে। একই সঙ্গে কমিশনকে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের ওপর নির্ভরশীল না হয়ে স্বাধীনভাবে কাজ করার সক্ষমতা থাকতে হবে। সদস্য নিয়োগ প্রক্রিয়াও হতে হবে স্বচ্ছ, উন্মুক্ত ও অংশগ্রহণমূলক।

আরও পড়ুনঃ  রাষ্ট্রপতি পদে মির্জা ফখরুল

গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের সাবেক প্রধান ও দ্য ডেইলি স্টারের কনসাল্টিং এডিটর কামাল আহমেদ বলেন, অংশীজনদের সক্রিয় অংশগ্রহণ ছাড়া এই ধরনের কমিশন তার উদ্দেশ্য পূরণ করতে পারবে না। শুধু কমিশন গঠন নয়, গণমাধ্যম সংস্কারের সুপারিশসমূহ দ্রুত বাস্তবায়ন করাও জরুরি।

সম্পাদকীয় স্বাধীনতার গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, সম্পাদকীয় সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণভাবে সম্পাদকের হাতে থাকতে হবে এবং মালিকপক্ষের ভূমিকা সীমাবদ্ধ থাকা উচিত আর্থিক ব্যবস্থাপনায়। আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী স্বচ্ছতা, নৈতিকতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করাই হওয়া উচিত গণমাধ্যম খাতের ভিত্তি।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক গীতি আরা নাসরিন বলেন, বর্তমানে সংবাদমাধ্যম ও জনগণের মধ্যে আস্থার সংকট তৈরি হয়েছে। কমিশন কতটা রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক প্রভাবমুক্ত থাকবে, তা নিয়ে প্রশ্ন থাকলেও পরিবর্তনের জন্য একটি কার্যকর ও স্বাধীন কাঠামো প্রয়োজন। তিনি অংশীজনদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ ও মনিটরিং ব্যবস্থার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

আরও পড়ুনঃ  বেসরকারি হাসপাতাল-ক্লিনিকের লাইসেন্স হবে দুই বছরের

অ্যাটকোর মহাসচিব ও একুশে টেলিভিশনের সিইও আব্দুস সালাম কমিশনের ব্যয় নির্বাহে গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানের বার্ষিক আয়ের এক শতাংশ প্রদানের প্রস্তাব পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানান। তিনি এ হার কমানোর সুপারিশ করেন।

দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের নির্বাহী সম্পাদক শাখাওয়াত লিটন বলেন, বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের সীমাবদ্ধতা থেকে শিক্ষা নিয়ে নতুন কমিশনের কাঠামো তৈরি করা প্রয়োজন। তিনি কমিশনের অধীনে সাংবাদিকদের আইনি সহায়তা প্রদানের জন্য একটি বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠনের প্রস্তাব দেন।

দ্য ডেইলি ওয়াদারের প্রধান সম্পাদক শফিকুল আলম বলেন, সাংবাদিকদের অধিকার ও স্বার্থ সুরক্ষার পাশাপাশি ভুল বা দায়িত্বজ্ঞানহীন সাংবাদিকতায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সুরক্ষাও নিশ্চিত করতে হবে। স্বাধীনতা ও জবাবদিহির মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখাই একটি কার্যকর গণমাধ্যম ব্যবস্থার মূল শর্ত।

সভায় বিভিন্ন গণমাধ্যম ও গণমাধ্যম উন্নয়ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। তারা সবাই একটি স্বাধীন, অংশগ্রহণমূলক ও কার্যকর গণমাধ্যম কমিশন গঠনের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।