
চাঁপাইনবাবগঞ্জে পদ্মা ও মহানন্দা নদীতে পৃথক ঘটনায় দুই স্কুলছাত্রের মৃত্যু হয়েছে। একই দিনে মহানন্দা নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে আরও এক ব্যক্তি নিখোঁজ হয়েছেন। তাকে উদ্ধারে অভিযান চলবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) দুপুরে সদর উপজেলার পৃথক দুটি স্থানে এসব ঘটনা ঘটে।
পদ্মা নদীতে ডুবে মারা যাওয়া দুই শিক্ষার্থী হলেন সদর উপজেলার সুন্দরপুর ইউনিয়নের রউফ হাজিপাড়া গ্রামের জেম আলীর ছেলে রিফাত (১৬) এবং ইসলামপুর ইউনিয়নের চরতেরোরশিয়া এলাকার আলম হোসেনের ছেলে রাসেল (১৭)। তারা দুজনই স্থানীয় সোবহান উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে জানা যায়, স্কুল ছুটির পর কয়েকজন বন্ধুর সঙ্গে সদর উপজেলার চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়নের আলিমনগর ঘাট এলাকায় পদ্মা নদীতে গোসল করতে যায় রিফাত ও রাসেল। একপর্যায়ে তারা নদীর গভীর পানিতে তলিয়ে যায়। বিষয়টি জানতে পেরে স্থানীয়রা উদ্ধার তৎপরতা শুরু করেন। পরে খবর পেয়ে রাজশাহী থেকে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে বিকেল ৪টার দিকে উদ্ধার অভিযান শুরু করে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার সাইফ হাসান শুভ জানান, প্রায় আড়াই ঘণ্টার অভিযানের পর সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে দুই স্কুলছাত্রের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
অন্যদিকে, একই দিন দুপুর আড়াইটার দিকে মহানন্দা নদীর রাবার ড্যামসংলগ্ন এলাকায় মাছ ধরতে গিয়ে পানিতে তলিয়ে নিখোঁজ হন পৌর এলাকার আরামবাগ-আজাইপুর মহল্লার বাসিন্দা রুহুল আমিনের ছেলে মো. সাকিরুল ইসলাম (৩০)।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একরামুল হোসাইন জানান, পদ্মা নদীতে নিখোঁজ দুই স্কুলছাত্রের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে রাত হয়ে যাওয়ায় মহানন্দা নদীতে নিখোঁজ সাকিরুল ইসলামকে উদ্ধারে অভিযান চালানো সম্ভব হয়নি। বুধবার সকালে দিনের আলোয় পুনরায় উদ্ধার অভিযান শুরু করা হবে।
প্রতিবেদকের নাম 




















