নেত্রকোণার মদন উপজেলায় ১২ বছর বয়সী এক মাদরাসাছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগের মামলায় ডিএনএ পরীক্ষায় অভিযুক্ত শিক্ষক আমান উল্লাহ মাহমুদী সাগরের সঙ্গে নবজাতকের ৯৯.৯৯ শতাংশ ডিএনএ মিল পাওয়া গেছে বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) আদালতের নির্দেশে অভিযুক্ত ও নবজাতকের নমুনা পরীক্ষা করে। প্রতিবেদনের ফলাফল সম্প্রতি পুলিশের কাছে পৌঁছেছে।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২৫ সালের নভেম্বরে কাইটাইল ইউনিয়নের একটি মহিলা কওমি মাদরাসার পরিচালক ও শিক্ষক আমান উল্লাহ সাগর ওই শিশুকে ধর্ষণ করেন। পরে শারীরিক পরিবর্তন দেখা দিলে বিষয়টি প্রকাশ পায় এবং পরীক্ষায় তার অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার তথ্য নিশ্চিত হয়।
শিশুটির মা গত ২৩ এপ্রিল মদন থানায় মামলা করেন। পরে ৬ মে ময়মনসিংহের গৌরীপুর থেকে অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেপ্তার করা হয়। আদালতের অনুমতি নিয়ে ১৭ মে তার ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হয়।
গত ২ জুলাই ভুক্তভোগী শিশুটি সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে একটি কন্যাসন্তানের জন্ম দেয়। এরপর আদালতের নির্দেশে ২৮ জুলাই সেফহোমে থাকা নবজাতকের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করে সিআইডি।
রাষ্ট্রপক্ষের সরকারি কৌঁসুলি মো. নুরুল কবীর রুবেল জানিয়েছেন, ডিএনএ প্রতিবেদনের মাধ্যমে মামলায় গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক প্রমাণ যুক্ত হয়েছে। পুলিশ শিগগিরই আদালতে চূড়ান্ত চার্জশিট দাখিল করবে বলে তিনি জানান।
বর্তমানে ভুক্তভোগী শিশু ও তার নবজাতক সিলেটের একটি সেফহোমে রয়েছে।
প্রতিবেদকের নাম 




















