ঢাকা ০৪:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
সেপ্টেম্বর থেকেই মালয়েশিয়ায় ২ লাখ বাংলাদেশির কর্মসংস্থানের উদ্যোগ ফ্যামিলি কার্ডে ভুলের হার ১.২ শতাংশ, দাবি অর্থমন্ত্রীর জামায়াতের লংমার্চ ঘিরে আওয়ামী লীগকে নিয়ে রাশেদ খাঁনের বিস্ফোরক অভিযোগ রাজধানীর তিন থানায় পুলিশের অভিযানে আটক ৪৫ ৬১ দিনের বন্দিজীবন থেকে মেঘালয়ের নির্বাসন, স্মৃতিচারণায় আবেগাপ্লুত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিরোধ মিটেছে, ‘ঘরের সমস্যা’ বললেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী হিমালয় অঞ্চলের ভয়াবহ বন্যায় বিপর্যস্ত নেপাল-তিব্বত, প্রাণহানি ৬৭৬ এমপিও শিক্ষকদের বদলিতে ভুল তথ্য ঠিক করার সুযোগ, নতুন তারিখ ঘোষণা ভ্রমণ শেষ হলো না, সড়কেই ঝরল তিন বন্ধুর প্রাণ গুমের ঘটনায় জড়িতদের কঠোর শাস্তি চান জামায়াত আমির
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

যেকোনো সময় বাঁধ ভাঙার শঙ্কা, নেপালকে চীনের সতর্কতা

নেপাল ও তিব্বতের সীমান্ত এলাকায় ভয়াবহ বন্যার পর তৈরি হওয়া একটি হ্রদের প্রাকৃতিক বাঁধ যেকোনো সময় ভেঙে যেতে পারে বলে নেপালকে সতর্ক করেছে চীন।

চীনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, হ্রদের পানির রঙ ক্রমেই গাঢ় হচ্ছে। এটিকে বাঁধ ভেঙে যাওয়ার সম্ভাব্য লক্ষণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে হ্রদে পানির পরিমাণ খুব বেশি না হওয়ায় বাঁধ ভেঙে গেলেও বড় ধরনের বন্যার আশঙ্কা কম বলে জানিয়েছে চীন।

নেপালের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো এক বার্তায় চীনা কর্তৃপক্ষ জানায়, চলতি সপ্তাহের শুরুতে নেপাল ও তিব্বতের বিভিন্ন এলাকায় ভয়াবহ আকস্মিক বন্যার পর নদীর গতিপথ আটকে গিয়ে হ্রদটির সৃষ্টি হয়।

আরও পড়ুনঃ  দেশে সারের কোনো সংকট নেই: প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম

চীনের সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, হ্রদের পানির রঙ ক্রমেই গাঢ় হয়ে যাচ্ছে। এর অর্থ হতে পারে, প্রাকৃতিক বাঁধটি যেকোনো সময় ভেঙে যেতে পারে।

বাঁধ ভেঙে গেলে নিম্নাঞ্চলের নদীগুলোতে পানির প্রবাহ কিছুটা বাড়তে পারে। তবে বড় ধরনের প্লাবনের আশঙ্কা কম বলে জানিয়েছে চীনা কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে নিম্নাঞ্চলের বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

ধসে পড়া মাটি, পাথর ও অন্যান্য ধ্বংসাবশেষ জমে তৈরি হওয়া প্রাকৃতিক বাঁধের কারণে হ্রদটি সৃষ্টি হয়েছে। এটি চীনের চোচেন নদী ও নেপালের পুরেপু নদীর মিলনস্থলের কাছে অবস্থিত।

আরও পড়ুনঃ  ইঞ্জিন বিকল হয়ে গভীর সমুদ্রে ভাসছিলেন ১২ জেলে, উদ্ধার করল কোস্টগার্ড

চীনের পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, হ্রদটির পানির স্তর ধীরে ধীরে বাড়ছে। শুক্রবার (২৮ আগস্ট) পর্যন্ত সেখানে প্রায় ২৫ লাখ ঘনমিটার পানি জমেছে।

হ্রদের বাঁধ ভেঙে গেলে কী ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে, তা জানতে চীন বন্যার পানির প্রবাহ নিয়ে মডেলিং করেছে। তাদের হিসাব অনুযায়ী, বাঁধ ভেঙে গেলে নদীতে পানির সর্বোচ্চ প্রবাহ প্রতি সেকেন্ডে ৫০০ ঘনমিটার পর্যন্ত হতে পারে।

আরও পড়ুনঃ  ইরানের বাণিজ্যে বড় ধাক্কা, কমেছে ৩৫ শতাংশ

এর আগে চীন জানিয়েছিল, আগামী তিন দিনে হ্রদটিতে আরও প্রায় ৩০ লাখ ঘনমিটার পানি জমতে পারে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে ড্রোন ও স্যাটেলাইটের মাধ্যমে পুরো এলাকা নজরদারি করছে চীনা কর্তৃপক্ষ।

এদিকে নেপাল ও চীনে ভয়াবহ বন্যায় এখন পর্যন্ত অন্তত ৫৮৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে নেপালেই ৫৭৯ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। চীনের তিব্বতে মারা গেছেন পাঁচজন।

দুই দেশ মিলিয়ে এখনো ২ হাজার ৫০০-এর বেশি মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন।

সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে

T ag

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় পোস্ট

সেপ্টেম্বর থেকেই মালয়েশিয়ায় ২ লাখ বাংলাদেশির কর্মসংস্থানের উদ্যোগ

যেকোনো সময় বাঁধ ভাঙার শঙ্কা, নেপালকে চীনের সতর্কতা

আপডেটের সময়: ১১:১৯:০৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬

নেপাল ও তিব্বতের সীমান্ত এলাকায় ভয়াবহ বন্যার পর তৈরি হওয়া একটি হ্রদের প্রাকৃতিক বাঁধ যেকোনো সময় ভেঙে যেতে পারে বলে নেপালকে সতর্ক করেছে চীন।

চীনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, হ্রদের পানির রঙ ক্রমেই গাঢ় হচ্ছে। এটিকে বাঁধ ভেঙে যাওয়ার সম্ভাব্য লক্ষণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে হ্রদে পানির পরিমাণ খুব বেশি না হওয়ায় বাঁধ ভেঙে গেলেও বড় ধরনের বন্যার আশঙ্কা কম বলে জানিয়েছে চীন।

নেপালের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো এক বার্তায় চীনা কর্তৃপক্ষ জানায়, চলতি সপ্তাহের শুরুতে নেপাল ও তিব্বতের বিভিন্ন এলাকায় ভয়াবহ আকস্মিক বন্যার পর নদীর গতিপথ আটকে গিয়ে হ্রদটির সৃষ্টি হয়।

আরও পড়ুনঃ  রংপুরে ৪ খুন: মুচলেকায় আসামি সিদ্ধার্থের বাবা ও ভাইকে ছেড়ে দিল ডিবি

চীনের সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, হ্রদের পানির রঙ ক্রমেই গাঢ় হয়ে যাচ্ছে। এর অর্থ হতে পারে, প্রাকৃতিক বাঁধটি যেকোনো সময় ভেঙে যেতে পারে।

বাঁধ ভেঙে গেলে নিম্নাঞ্চলের নদীগুলোতে পানির প্রবাহ কিছুটা বাড়তে পারে। তবে বড় ধরনের প্লাবনের আশঙ্কা কম বলে জানিয়েছে চীনা কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে নিম্নাঞ্চলের বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

ধসে পড়া মাটি, পাথর ও অন্যান্য ধ্বংসাবশেষ জমে তৈরি হওয়া প্রাকৃতিক বাঁধের কারণে হ্রদটি সৃষ্টি হয়েছে। এটি চীনের চোচেন নদী ও নেপালের পুরেপু নদীর মিলনস্থলের কাছে অবস্থিত।

আরও পড়ুনঃ  মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে নতুন সচিব রওশন আরা

চীনের পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, হ্রদটির পানির স্তর ধীরে ধীরে বাড়ছে। শুক্রবার (২৮ আগস্ট) পর্যন্ত সেখানে প্রায় ২৫ লাখ ঘনমিটার পানি জমেছে।

হ্রদের বাঁধ ভেঙে গেলে কী ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে, তা জানতে চীন বন্যার পানির প্রবাহ নিয়ে মডেলিং করেছে। তাদের হিসাব অনুযায়ী, বাঁধ ভেঙে গেলে নদীতে পানির সর্বোচ্চ প্রবাহ প্রতি সেকেন্ডে ৫০০ ঘনমিটার পর্যন্ত হতে পারে।

আরও পড়ুনঃ  ভারী বৃষ্টির আশঙ্কায় মক্কায় ‘রেড অ্যালার্ট’ জারি

এর আগে চীন জানিয়েছিল, আগামী তিন দিনে হ্রদটিতে আরও প্রায় ৩০ লাখ ঘনমিটার পানি জমতে পারে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে ড্রোন ও স্যাটেলাইটের মাধ্যমে পুরো এলাকা নজরদারি করছে চীনা কর্তৃপক্ষ।

এদিকে নেপাল ও চীনে ভয়াবহ বন্যায় এখন পর্যন্ত অন্তত ৫৮৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে নেপালেই ৫৭৯ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। চীনের তিব্বতে মারা গেছেন পাঁচজন।

দুই দেশ মিলিয়ে এখনো ২ হাজার ৫০০-এর বেশি মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন।

সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে